সোমবার | ৬ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ২রা জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি | রাত ৩:০৩
Home / সারাদেশ / রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় থ্রিজি-ফোরজি বন্ধ

রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় থ্রিজি-ফোরজি বন্ধ

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় থ্রিজি এবং ফোরজি মোবাইল ডেটা সেবা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত উচ্চ গতির মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকবে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া এই দুই উপজেলায়।

সোমবার রাত ১০টার দিকে সব মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে এ নির্দেশনা পাঠায় বিটিআরসি।

আগের নির্দেশনা অনুসারে এমনিতেই ওই এলাকায় থ্রিজি ও ফোরজি মোবাইল ডেটা বন্ধ ছিল।

গত ২ সেপ্টেম্বরে অপারেটরদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর বিটিআরসি বিকাল ৫টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত উখিয়া ও টেকনাফে থ্রিজি ও ফোরজি বন্ধ রাখে। এক সপ্তাহের মধ্যে সেই নির্দেশনা এখন ২৪ ঘণ্টার জন্যে কার্যকর করা হলো।

বিষয়টি সম্পর্কে একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, নির্দেশনাটি যখন আসে তখন এমনিতেই তারা ওই এলাকায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রেখেছিলেন। সকালে আবার থ্রিজি ফোরজি চালু হওয়ার কথা থাকলেও সেটি আর হয়নি, যেহেতু এর মধ্যে নতুন নির্দেশনা এসে গেছে। তাতে করে এখন ওই এলাকায় মোবাইল ফোনে কথা বলা গেলেও মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার কার্যত বন্ধ হয়ে গেল।

কুতুপালং ক্যাম্পের রোহিঙ্গা যুবক মো. ফারুক বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে থ্রিজি এবং ফোরজি বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও সাধারণ মোবাইলেও কথা বলা সম্ভব হচ্ছে না।

এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর এক চিঠির মাধ্যমে বিটিআরসি রোহিঙ্গারা যাতে মোবাইল ফোন সেবা না পেতে পারে সে বিষয়ে অপারেটরদেরকে নির্দেশনা পাঠায়।

সম্প্রতি উখিয়ার কুতুপালং ১৭ নং ক্যাম্প ইনচার্জ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ক্যাম্প প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান। বৈঠকে তিনি ক্যাম্প ভিত্তিক মোবাইল নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ এবং সিমের ব্যাপারে ব্যবস্থার নেয়ার নির্দেশ দেন।

এ নিয়ে উপজেলার নির্বাহী অফিসার নিকারুজ্জামান চৌধুরী উখিয়ার ৩০ জন বিক্রয় প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করে সিমকার্ড বিক্রি বন্ধ এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কঠোর নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, উখিয়া-টেকনাফে ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে বাংলাদেশে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মিয়ানমার থেকে এসেছে। এর আগে থেকে আশ্রিত মিলে বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে উখিয়া-টেকনাফে। এসব রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় ৮-১০ লাখ বিভিন্ন সিমকার্ড রয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন
Share

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য এন্ড পরিবেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সোসাইটির র‍্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য এন্ড পরিবেশ মানবাধিকার ...