বুধবার | ১৩ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ৭ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি | রাত ১১:০৯
Home / সারাদেশ / বরিশাল বিভাগ / দশমিনায় ঝুঁকি পূর্ন ভবনে চলছে বিচারিক কার্যক্রম

দশমিনায় ঝুঁকি পূর্ন ভবনে চলছে বিচারিক কার্যক্রম

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দশমিনা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে । যেকোনো মুহূর্তে ভবনটি ধসে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এরপরও ঝুঁকি নিয়ে ভবনটিতে ফৌজদারি যাবতীয় কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে জি/আর-২৫৯, সি/আর-২৩৭ এবং নন-জি/আর-৯টি মামলার বিচার কাজ চলছে। এলাকাবাসী ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে উপজেলা এলাকায় ফৌজদারি একতলা আদালত ভবন নির্মাণ করা হয়। শুরু থেকেই ভবনে ফৌজদারি বিচারকাজ পরিচালিত হতো। পুনরায় ২০০০ সালে বিচার কার্যক্রম চালু হয়। আদালতে চলতি মাসের ঈস্খথমদিন প্রযন্ত ৫শ” ৫টি মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে। সরেজমিনে দেখা যায়, আদালত ভবনটির দেয়ালে ও ছাদে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ওই সব ফাটলে পানি পড়তে শুরু করে। শুধু ছাদ নয়, দেয়ালের অনেক জায়গায়ও ফাটল ধরেছে। বের হয়ে গেছে ছাদ ও বিমের রড। বের হয়ে গেছে ছাদ ও বিমের রড। ভবনটির বারান্দার মেঝেসহ কয়েককটি কক্ষের মেঝে দেবে গেছে। বিচারকদের এজলাস কক্ষও স্যাঁতসেঁতে হয়ে গেছে। ভবনটির বারান্দার মেঝেসহ কয়েকটি কক্ষের মেঝে দেবে গেছে। আদালতের এজলাস কক্ষের বিমে ফাটল ধরেছে। ছাদের কোনো কোনো অংশ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। দরজা-জানালার চৌকাঠ ভেঙে গেছে, গ্রিলে মরিচা ধরেছে। ভবনটির ছাদসহ এর দেয়ালে শেওলা জমেছে। ভবনে থাকা হাজতখানা, পুলিশ ব্যারাক, উপপরিদর্শকের কক্ষ, বেঞ্চ সহকারীর কক্ষ, সেরেস্তাদারের কক্ষ ও রেকর্ড কক্ষ—সব কটির অবস্থা একই রকম। এব্যাপারে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা খুব কষ্ট করে বিচার কার্যক্রম চালাচ্ছি । বিচারকাজ পরিচালনা করার স্বার্থে নতুন আদালত ভবন নির্মাণ করা একান্ত জরুরি । যে কোনো সময় ছাদ ধসে মাথায় পড়তে পারে! এই ভয় নিয়ে বিচাররিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি! এপ্রসঙ্গে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এ.পি.পি উত্তম কুমার কর্মকার বলেন, ‘‘ আদালতের ভবনে ঝুঁকি নিয়ে বিচার কাজ চলছে।’’ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুরোধ করেন। এবিষয়ে উপজেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. সিকদার গোলাম মোস্তফা বলেন, যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে তাই নতুন আদালত ভবনের একান্ত দরকার। এ আদালতে চলমান মামলার জন্য প্রতিদিন বিচারপ্রার্থীরাসহ সাধারণ মানুষ আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হয়। তাই বিচারকাজের জন্য জরাজীর্ণ ভবনটি ভেঙে নতুন আদালত ভবন নির্মাণের দাবি জানাই সরকারের কাছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন
Share

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য এন্ড পরিবেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সোসাইটির র‍্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য এন্ড পরিবেশ মানবাধিকার ...