শুক্রবার | ২১শে জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৮ই জমাদিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি | সকাল ৮:১৫
Home / সারাদেশ / ঢাকা বিভাগ / ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে হরিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রতারণা ও জালিয়তির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান, আইসিটি শিক্ষক মো. সোহেল রানা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে এম ওবায়দুল বারী দিপু খানের বিরুদ্ধে রবিবার শিক্ষার্থীদের মিছিলে অভিভাবকরাও যোগ দেন। বেলা এগারোটার দিকে তারা চরভদ্রাসন বাজার থেকে একটি মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে এসে পথসভা করে। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়। ওই শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, আইসিটি শিক্ষক সোহেল রানা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ওবায়দুল বারী দিপু খানের শাস্তি দাবি করে। এ সময় তারা ক্ষতিপূরণ দাবি করে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কার্যক্রম স্থগিতসহ সংশ্লিষ্টদের বিদার দাবি করে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সহমত পোষণ করে বক্তব্য রাখেন চরভদ্রাসন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কাউসান হোসেন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী মোল্যা, ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হাসিবুর রহমান জ্যামী প্রমুখ। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে এম ওবায়দুল বারী দিপু খান জানান, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ ব্যাপারে ইউএনও জেসমিন সুলতানা বলেন, অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের প্রতিটি বিষয়েই তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রসঙ্গত, প্রতারণার শিকার ৪৪ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর ৩৬ জন প্রবেশপত্র পেলেও আট জন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। বিক্ষুব্ধ সেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদানসহ দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করছে।

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে হরিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রতারণা ও জালিয়তির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান, আইসিটি শিক্ষক মো. সোহেল রানা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে এম ওবায়দুল বারী দিপু খানের বিরুদ্ধে রবিবার শিক্ষার্থীদের মিছিলে অভিভাবকরাও যোগ দেন। বেলা এগারোটার দিকে তারা চরভদ্রাসন বাজার থেকে একটি মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে এসে পথসভা করে। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়। ওই শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, আইসিটি শিক্ষক সোহেল রানা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ওবায়দুল বারী দিপু খানের শাস্তি দাবি করে। এ সময় তারা ক্ষতিপূরণ দাবি করে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কার্যক্রম স্থগিতসহ সংশ্লিষ্টদের বিদার দাবি করে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সহমত পোষণ করে বক্তব্য রাখেন চরভদ্রাসন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কাউসান হোসেন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী মোল্যা, ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হাসিবুর রহমান জ্যামী প্রমুখ। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে এম ওবায়দুল বারী দিপু খান জানান, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ ব্যাপারে ইউএনও জেসমিন সুলতানা বলেন, অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের প্রতিটি বিষয়েই তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রসঙ্গত, প্রতারণার শিকার ৪৪ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর ৩৬ জন প্রবেশপত্র পেলেও আট জন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। বিক্ষুব্ধ সেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদানসহ দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করছে।

মোঃ মাহমুদ হাসান প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে হরিরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রতারণা ও জালিয়তির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক শিক্ষক মো. লুৎফর রহমান, আইসিটি শিক্ষক মো. সোহেল রানা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে এম ওবায়দুল বারী দিপু খানের বিরুদ্ধে রবিবার শিক্ষার্থীদের মিছিলে অভিভাবকরাও যোগ দেন। বেলা এগারোটার দিকে তারা চরভদ্রাসন বাজার  থেকে একটি মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে এসে পথসভা করে। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়।

ওই শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, আইসিটি শিক্ষক সোহেল রানা ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ওবায়দুল বারী দিপু খানের শাস্তি দাবি করে। এ সময় তারা ক্ষতিপূরণ দাবি করে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির কার্যক্রম স্থগিতসহ সংশ্লিষ্টদের বিদার দাবি করে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সহমত পোষণ করে বক্তব্য রাখেন চরভদ্রাসন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কাউসান হোসেন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী মোল্যা, ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হাসিবুর রহমান জ্যামী প্রমুখ।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কে এম ওবায়দুল বারী দিপু খান জানান, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এ ব্যাপারে ইউএনও জেসমিন সুলতানা বলেন, অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের প্রতিটি বিষয়েই তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, প্রতারণার শিকার ৪৪ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর ৩৬ জন প্রবেশপত্র পেলেও আট জন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। বিক্ষুব্ধ সেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদানসহ দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিচার দাবি করছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন
Share

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

কারাগারে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে ইরফানকে

অনলাইন ডেস্ক :  র‌্যাবের অভিযানে মাদক ও অবৈধ ওয়াকিটকি রাখা ও ব্যবহারের ...