বৃহস্পতিবার | ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ১লা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ৯ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি | রাত ১০:৩৮
Home / আন্তর্জাতিক / কিম জং উন এলেন প্রকাশ্যে,দাবি কেসিএনএ’র

কিম জং উন এলেন প্রকাশ্যে,দাবি কেসিএনএ’র

পর্দার আড়ালে ২৪.কম নিউজ ডেস্ক!!
তার স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে খবরও পাওয়া যাচ্ছিল যে, উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের অবস্থা গুরুতর। শুধু তাই নয়, এমনও খবর রটেছে যে, কিমের মৃত্যু হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে রকম একটি ছবি ব্যাপক ভাইরাল হয়। তবে এত দিন এ সব নিয়ে উত্তর কোরিয়া থেকে কোনও প্রতিক্রিয়াই মেলেনি। ফলে কিমকে নিয়ে জল্পনাটা আরও পাকতে শুরু করে।

তবে শুক্রবার (১) মে উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা “কেসিএনএ” দাবি করেছে, মে দিবস উপলক্ষে রাজধানী পিয়ংইয়ং-এর কাছে সানচনে গিয়েছিলেন কিম। সেখানে একটি সার কারখানার উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধনের সময় ফিতেও কাটেন কিম জং উন। এই সফরে কিমের সঙ্গে ছিলেন বোন কিম ইয়ো জং এবং দেশের দেশের শীর্ষ কর্তারা।

কেসিএনএ-তে প্রকাশিত রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষ হাজির ছিলেন। তারা তাদের নেতাকে উল্লসিত অভিবাদন জানান। এর পরই কিম কারখানা ঘুরে দেখেন। দেশে এমন একটা কারখানা তৈরি হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশও করেছেন বলে দাবি কেসিএনএ-র।

কেসিএনএ’র রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, খুব আবেগের সঙ্গে কিম বলেছেন, তার পিতামহ কিম ইল সাং এবং বাবা দ্বিতীয় কিম জং যদি বেঁচে থাকতেন তা হলে এই সার কারখানা তৈরির খবরটা পেয়ে খুব খুশি হতেন। উত্তর কোরিয়ার আরও এক সরকারি সংবাদপত্র রডং সিনমান কিমের বেশ কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেছে। সেখানে কিমকে কালো টুপি পরে কারখানার কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা গিয়েছে।

কিমকে নিয়ে জল্পনার সূত্রপাত গত (১৫) এপ্রিল থেকে। ওই দিন তার পিতামহের জন্মবার্ষিকী ছিল। এই দিনটা গোটা উত্তর কোরিয়ার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। কিন্তু এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে কিমের অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে যায়। নানা প্রশ্ন ঘুরতে থাকে, তা হলে কি কিম গুরুতর অসুস্থ। দক্ষিণ কোরিয়ার একটি ওয়েব পোর্টাল জানিয়েছিল, হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচারের পর সঙ্কটজনক অবস্থায় একটি রিসোর্টে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। সেখানে পরিবার-পরিজন রয়েছেন তার সঙ্গে। একটি চিকিৎসক দলের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। তবে সেই সময় পিয়ংইয়ংয়ের তরফ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

তার পরই শোনা যায়, কিম নাকি মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এর পরই কিমকে নিয়ে গুজব ছড়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। বলা হয়, ৩৬ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন উত্তর কোরিয়ার শাসক। এ নিয়ে তখনও উত্তর কোরিয়ার তরফ থেকে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে এটা পুরোটাই রটনা বলে জানিয়েছিল আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

এ নিয়ে প্রথম দিকে কোনও মন্তব্য করেনি দক্ষিণ কোরিয়াও। যদিও পরে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের এক শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা দাবি করেন, কিম জীবিত এবং সুস্থ আছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন
Share

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

ব্লিনকেনকে উইঘুদের বন্দি শিবির ও নির্যাতন বন্ধের আহ্বান

সম্প্রতি জিনজিয়াংয়ে উইঘুদের প্রতি চীনের অমানবিক আচরণ ও গণহত্যা বলে স্বীকৃতি দিয়েছে ...