বুধবার | ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১৫ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি | রাত ৮:২৮
Home / সারাদেশ / হিজড়া সম্প্রদায়ের বাসায় বাসায় খাবার পৌঁছে দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাসেল

হিজড়া সম্প্রদায়ের বাসায় বাসায় খাবার পৌঁছে দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাসেল

মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম!!
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এম,পি হিজড়া সম্প্রদায়ের একটি ফোন পেয়েই তাৎক্ষণিক তাদের বাসায় এক মাসের খাবার পৌঁছে দেয়ার নির্দেশ দিলেন।

মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর তান্ডবে হিজড়া সম্প্রদায়ের বাসায় যখন খাবার নেই তখনই হিজড়া সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেলকে ফোন দিলেন হিজড়া সম্প্রদায় বলেন, তাদের বাসায় কোন খাবার নেই। তাদের বাসা গাজীপুর মহানগরীর (৫৫) নং ওয়ার্ডের মাছিমপুরে। দু:খের কথাগুলো শুনে মন্ত্রী মহোদয় সাথে সাথে তাৎক্ষণিক গাজীপুর মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমা হোসেনকে ফোন দিয়ে বিস্তারিত জানালেন এবং হিজড়া সম্প্রদায়ের বাসায় এক মাসের খাবার পৌঁছে দেয়ার নির্দেশ দিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার (৫) মধ্য রাতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক নির্দেশেই তাদের বাসায় এক মাসের খাবার পৌঁছে দেয়ার জন্য ছুটে যান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কর্মীরা।

মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা পৃথিবীর মানুষ দিশেহারা। লকডাউনে থাকা ঘরবন্ধি বিশেষ করে দিনে এনে দিনে খাওয়া মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এ সময় তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এম,পি।
প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় গাজীপুর-২ আসনে করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরে আটকে পড়া লকডাউনে থাকা কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের ৫০ হাজার কর্মহীন পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রীর এই উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, আলু, পেঁয়াজ, লবণ, সাবান, ছোলা এবং প্রয়োজনীয় ইফতার সামগ্রী। দিয়েছেন।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, আমার পিতা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুরের মানুষকে আমাদের বংশধর বলে সম্বোধন করতেন। সুখে দুখে বিপদে আপদে তাদের পাশে থাকতেন। তার সন্তান হিসেবে আমিও বলবো গাজীপুরের সকল জনগণ আমার বংশধর। আমিও তাদের সন্তান হিসেবে তাদের সুখে, দুঃখে তাদের পাশে আছি এবং থাকবো। কোন লোক না খেয়ে অনাহারে মারা যাবে না। আমার উপহার সামগ্রী নিম্ন আয়ের প্রতিটি মানুষের বাসায় বাসায় পৌঁছে যাবে। যারা অনাহারে আছেন খাবার শেষ হওয়ার পূর্বেই আমাকে ফোন করলে আমার লোকজন তাদের বাসায় খাবার পৌঁছে দিবে। কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের আয়ের মানুষের জন্য আমি সর্বদা নিয়োজিত আছি। আমার কাছে কোন জাতীয় পরিচয়পত্রের প্রয়োজন নেই। গাজীপুরে বসবাসরত জনগণ হিসেবে তাদের সুখ, দুঃখের দায়িত্ব আমারই বহন করতে হবে। নিম্ন আয়ের ঘরে আটকে পড়া লকডাউনে থাকা সাধারণ মানুষের মাঝে খাবার পৌঁছে দেয়া আমার নৈতিক দায়িত্ব। করোনার প্রাদুর্ভাবে বেকার হয়ে পড়া মানুষের দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমার রাষ্ট্রীয় নৈতিক দায়িত্ব। নিম্ন আয়ের মানুষের আয় রোজগার বন্ধ থাকলেও তাদের খাবারের জন্য আমার দরজা উন্মুক্ত এবং বিরতিহীনভাবে চলবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন
Share

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য এন্ড পরিবেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সোসাইটির র‍্যালি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য এন্ড পরিবেশ মানবাধিকার ...