বুধবার | ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে ভাদ্র, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ৮ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি | সন্ধ্যা ৭:৪৩
Home / জাতীয় / বাবার সমাধী জিয়ারত করলেন প্রতিমন্ত্রী রাসেল

বাবার সমাধী জিয়ারত করলেন প্রতিমন্ত্রী রাসেল

মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম!!
বৃহস্পতিবার (৭) মে বাবা প্রয়াত সংসদ সদস্য শহীদ আহসান উল্লাহ্‌ মাষ্টার এমপির সমাধী জিয়ারত করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। (৭) মে ছিল প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা, জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত সংসদ সদস্য শহীদ আহসান উল্লাহ্‌ মাষ্টার এমপির ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী।

বৃহস্পতিবার (৭) মে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ গ্রামে বাবা শহীদ আহসান উল্লাহ্‌ মাষ্টার এমপির সমাধীতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং মোনাজাত করেন।

করোনাকালে এবার বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে কোন আয়োজন করেননি ছেলে প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল। তবে প্রতিমন্ত্রী তার নিজ নির্বাচনী এলাকাতে বাবার ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া হতদরিদ্র ১০ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরন করেন।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল দেশবাসীকে যার যার ঘরে থেকেই তার বাবা প্রয়াত সংসদ সদস্য শহীদ আহসান উল্লাহ্‌ মাষ্টার এমপির জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করার জন্য আহবান জানান।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের (৭) মে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী নোয়াগাঁও স্কুল মাঠে স্বেচ্ছাসেবকলীগের সম্মেলন চলাকালে জুমা আজানের ঠিক পূর্ব মূহুর্তে প্রকাশ্যে দিবালোকে গাজীপুরের মাটি ও মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা, জননন্দিত সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপিকে গুলি করে হত্যা করে। এই হত্যা মামলার রায়ে ২০০৫ সালের (১৬) মে ২২ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়।

২০১৬ সালের (১৫) জুন হাইকোর্ট ডিভিশন আসামীদের ডেথ রেফারেন্স, জেল আপীল ও আবেদনের শুনানী শেষে ৬ জনের মৃত্যুদন্ড এবং ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড বহাল রেখে ১১ জনকে খালাস দেয় আদালত। বিচার চলাকালে ২ আসামীর মৃত্যু হওয়ায় তাদের আপীল নিষ্পত্তি করে দেয়া হয়। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামীর কোন আপিল না থাকায় তার পূর্বের রায়ই বহাল রাখা হয়।

আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি টঙ্গী-গাজীপুর-২ আসন থেকে (১৯৯৬) ও (২০০১) সালে দুইবার সংসদ সদস্য, (১৯৯০) সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং (১৯৮৩) ও (১৯৮৭) সালে দু’দফা পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য, শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। মরহুম আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সস্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন
Share

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

যেসব অঞ্চলে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা

দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। ...